০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, বুধবার, ০৪:০৮:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সুষ্ঠুভাবে ভোট হলে আমি দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়লাভ করবো, হিরো আলম বিদ্যুৎ খাতে সরকারের লুটপাটের মাশুল দিচ্ছে জনগণ, ফখরুল ফের শীত বাড়তে পারে, জানালো আবহাওয়া অধিদপ্তর সাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি, তাপমাত্রা কমতে পারে ১-৩ ডিগ্রি হজে যেতে ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৮ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে বাংলা ভাষায় রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভোটকেন্দ্রের ভেতর থেকে ককটেল উদ্ধার হিরো আলমকে গাড়ি উপহার দিতে চান এক শিক্ষক, তবে হিরো আলমের দাবি তিনি গড়িমসি করছেন আঙুলের ছাপ না মেলায় ভোট না দিয়েই ফিরে গেলেন বৃদ্ধা কল্পনা রানী শঙ্কার মধ্যেই বগুড়া-৪ ও ৬ আসনের উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে
ঊর্ধ্বগতির রেমিট্যান্স প্রবাহ হঠাৎ নিচে নেমেছে কেন?
ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২২-১২-২২
ঊর্ধ্বগতির রেমিট্যান্স প্রবাহ হঠাৎ নিচে নেমেছে কেন?

চলতি অর্থবছরে প্রথম পাঁচ মাসের প্রথম দুই মাস ২০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স দেশে এসেছে, আবার পরের তিন মাস ধরে রেমিট্যান্স আটকে আছে ১৫০ বিলিয়ন ডলারের ঘরে। 

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলছেন, প্রবাসীদের রেমিট্যান্স এর এমন অবস্থায় প্রবাসী আয় বাড়াতে সচেতন করার পাশাপাশি  বন্ধ করা হচ্ছে  হুন্ডির সব পথ আর মোবাইল ফাইন্যান্স সার্ভিস সমূহ। কিন্তু প্রশ্ন সেপ্টেম্বরে এমন কী ঘটেছে, যার কারণে দেশের রেমিট্যান্স আর ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না? 

দেশে ডলারসহ বৈদেশিক মুদ্রা আসে বিদেশি ঋণ, রফতানি ও রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এই তিন পথেই। একমাত্র রেমিট্যান্স থেকে পাওয়া অর্থের সবটুকুই সরাসরি দেশের রিজার্ভের আকার বাড়ায়। আর বাকিগুলোর মতো এখানে কোনো লাভক্ষতি আর দায়দেনার জটিল হিসাব ত্থাকে না। তাই বৈদেশিক মুদ্রার জোগান দিতে বরাবরই রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে ।

বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের হিসাব অনুযায়ী, জুলাইয়ে দেশে রেমিট্যান্স আসে প্রায় ২১০ কোটি ডলার, যা ১৪ মাসে সর্বোচ্চ ছিলো। পরের মাসে রেমিট্যান্স কিছুটা কমলেও তা থাকে ২০০ কোটি ডলারের ওপর। কিন্তু সেপ্টেম্বরে নেমে আসে ১৫৪ কোটি ডলারে। এড়র মাত্রা আরও কমে অক্টোবরে। নভেম্বরে রেমিট্যান্স এর মাত্রা থেকেছে এর আশপাশে। 

দিনভিত্তিক পরিসংখ্যান হিসাব, সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে হঠাৎ মন্দার কবলে পড়া প্রতিদিন প্রবাসী আয় গড়ে ৭ কোটি ৪৫ লাখ ডলার। পরের ১৪ দিনে আয় ৪ কোটি ৭৮ লাখ ডলার করে।এরপর আরও কমে পরের ৮ দিনে আয় এসেছে ৩ কোটি ৪৩ লাখ ডলার। 

কিন্তু বিসয় হলো সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি এমন কী ঘটল, যার ফলে ঊর্ধ্বগতির রেমিট্যান্স হঠাৎ করে নিচে নেমে গেল এবং ওখানে থেমে আছে?

অর্থনীতিবিদদের দাবি,  অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন ১১ সেপ্টেম্বর ডলারের সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ করে ১০৮ টাকা আর এই সিদ্ধান্তই রেমিট্যান্সের প্রবাহ কমিয়ে দিয়েছে।

সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, রেমিট্যান্স প্রবাহে ব্যাংকিং চ্যানেল গুলোতে ক্যাপ বসিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রবাসীরা ব্যাংক থেকে প্রতি ডলারে ১০৮ টাকা পেতেন, অন্যদিকে হুন্ডি ব্যবসায়ীরা এর চেয়ে বেশি দিচ্ছে এভাবে দাম নির্ধারণ করে মূলত সরু করা হয়েছে ব্যাংকিং চ্যানেল আর প্রশস্ত হচ্ছে হুন্ডি ব্যবসায়ীদের পথ।

এমন অবস্থায় সব রকমের হুন্ডি বন্ধে সরকার কাজ শুরু করেছে বলে জানান সালমান এফ রহমান। তিনি বলেন, হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠানোর বিষয়টি কমছে এর জন্য বাংলাদেশ সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে।

বিশ্লেষকদের তাগিদ প্রবাসীদের জিম্মি করে নয়,  প্রতিযোগিতামূলক দামে তাদের অর্থ সংগ্রহে ব্যাংকগুলোকে নতুন কৌশল নিয়ে কাজ করার আহব্বান তাঁদের।


শেয়ার করুন