০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, বুধবার, ০৪:১৫:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সুষ্ঠুভাবে ভোট হলে আমি দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়লাভ করবো, হিরো আলম বিদ্যুৎ খাতে সরকারের লুটপাটের মাশুল দিচ্ছে জনগণ, ফখরুল ফের শীত বাড়তে পারে, জানালো আবহাওয়া অধিদপ্তর সাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি, তাপমাত্রা কমতে পারে ১-৩ ডিগ্রি হজে যেতে ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৮ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে বাংলা ভাষায় রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভোটকেন্দ্রের ভেতর থেকে ককটেল উদ্ধার হিরো আলমকে গাড়ি উপহার দিতে চান এক শিক্ষক, তবে হিরো আলমের দাবি তিনি গড়িমসি করছেন আঙুলের ছাপ না মেলায় ভোট না দিয়েই ফিরে গেলেন বৃদ্ধা কল্পনা রানী শঙ্কার মধ্যেই বগুড়া-৪ ও ৬ আসনের উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে
আপনার সন্তান কি কথায় কথায় রেগে যাচ্ছে?
সাইফুল ইসলাম মুন্না
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২৩-০১-০৬
আপনার সন্তান কি কথায় কথায় রেগে যাচ্ছে?

সুস্বাস্থ্যের জন্য সবাইকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকা প্রয়োজন। কিন্তু দুশ্চিন্তা এমন একটি সমস্যা যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে মানসিকভাবে অসুস্থ করে তোলে। দুশ্চিন্তা শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্কদের হয় না এক্ষেত্রে এর শিকার হতে পারে কিশোর কিশোরী এবং শিশুরাও। তবে এর মধ্যে বাচ্চাদের মাঝে কাজ করা বিভিন্ন রকমের দুশ্চিন্তা বুঝে ওঠা বেশ কঠিন। কারণ আমাদের মতো তারা তাদের অনুভূতি বা সমস্যাগুলো কারো সাথে ঠিকমতো প্রকাশ করতে পারে না।

তবে কোন বাচ্চা যদি দুশ্চিন্তায় থাকে তবে তা সহজে বোঝা যায়না  এবং বিষয়টি সবাই সাধারণভাবে এড়িয়ে যায়। কিন্তু এতে তাদের ওপর আরো বেশি চাপ পড়ে। তারা মানসিক ও শারীরিক দুইদিক থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই অবশ্যই এই বিষয়ে বাচ্চাদের অভিভাবকদেরও সতর্ক হতে হবে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক-

আপনার সন্তানদের মধ্যে যদি কোনো কারণে হঠাৎ করে মানসিক পরিবর্তন হয় তা উপেক্ষা না করে বরং আরও বেশি সতর্ক হোন। চুপচাপ থাকা, কথায় কথায় বিরক্তি, রেগে যাওয়া, ঘন ঘন মুড স্যুইং, কোনো কাজে বা পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে অসুবিধা এবং অস্থিরতা লক্ষ্য করলে তার সঙ্গে খোলাখুলিভাবে কথা বলুন।

এছাড়া সাধারণত দুশ্চিন্তার কারণে বাচ্চাদের নানারকম স্বাস্থ্যজনিত সমস্যা হয়ে থাকে যেমন মাথাব্যথা-মাইগ্রেন ইত্যাদি। বাচ্চারা বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা সহ ভীষণ ক্লান্ত বোধ করে । মাঝে মাঝে কোনো কারণ ছাড়াই অসুস্থবোধ করা ও খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন আসা

বাচ্চাদের দুশ্চিন্তা তাদের দৈনন্দিন জীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলতে পারে।  এর কারণে পরিবার বা বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে বাচ্চাদের সম্পর্ক খারাপ হয়ে যেতে পারে। যা তাদের সামাজিক জীবনেও প্রভাব ফেলে। যার কারনে সাধারণভাবে বাচ্চারা কারো সাথে কথাবার্তা বলতে আগ্রহী হয়ে ওঠে এবং বাচ্চাদের মত খেলাধুলা আড্ডা থেকে দূরে থাকে। একা একা থাকার কারণে বাচ্চারা একাকীত্বে ভোগে এবং তাদের এই সমস্যাগুলো আরো তীব্র হয়ে ওঠে। 

দুশ্চিন্তার কারণে বাচ্চাদের ঘুমেরও ব্যাঘাত ঘটতে পারে। ঘুমাতে অসুবিধা, ঘন ঘন দুঃস্বপ্ন, পর্যাপ্ত ঘুমানোর পরও ভীষণ ক্লান্তবোধ করা। আপনার বাচ্চার মধ্যে এসব লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন।

এক্ষেত্রে অবশ্যই বাচ্চাদের অভিভাবককে সমস্যা থেকে বাচ্চাদের বের করে আনতে। পদক্ষেপ নিতে হবে সন্তান সর্বদা কি করে তা নজরে রাখতে হবে এবং সর্বদা সন্তানের উপর লক্ষ্য রাখতে হবে। সন্তানের অনুভূতিকে কোনভাবেই উপেক্ষা করা চলবে না। প্রয়োজনে বাচ্চাদের সাথে ফ্রি হয়ে সমস্যাগুলো জানতে হবে এবং এ সম্পর্কে খোলামেলা আলোচনা করা উচিত।

আপনি আপনার বাচ্চার কাছ থেকে তার সমস্যাগুলো জানতে চান। সে সম্পর্কে তার সঙ্গে আলোচনা করুন। খোলাখুলিভাবে কথা বলুন। তার মনের কথা জানার চেষ্টা করুন এবং তার সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশুন। তাকে তার সব সমস্যা কাটিয়ে ওঠতে সাহায্য করুন।

শেয়ার করুন