০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, বুধবার, ০৪:২৫:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সুষ্ঠুভাবে ভোট হলে আমি দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়লাভ করবো, হিরো আলম বিদ্যুৎ খাতে সরকারের লুটপাটের মাশুল দিচ্ছে জনগণ, ফখরুল ফের শীত বাড়তে পারে, জানালো আবহাওয়া অধিদপ্তর সাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি, তাপমাত্রা কমতে পারে ১-৩ ডিগ্রি হজে যেতে ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৮ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে বাংলা ভাষায় রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভোটকেন্দ্রের ভেতর থেকে ককটেল উদ্ধার হিরো আলমকে গাড়ি উপহার দিতে চান এক শিক্ষক, তবে হিরো আলমের দাবি তিনি গড়িমসি করছেন আঙুলের ছাপ না মেলায় ভোট না দিয়েই ফিরে গেলেন বৃদ্ধা কল্পনা রানী শঙ্কার মধ্যেই বগুড়া-৪ ও ৬ আসনের উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় এক বাংলাদেশের যুবক নিহত
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২২-০৯-১৮
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় এক বাংলাদেশের যুবক নিহত

১৪ সেপ্টেম্বর সকালে মিয়া নামে এক যুবক সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়। নিহতের বাড়ি কিশোরগঞ্জ কটিয়াদী পৌর এলাকায়। তার বয়স ছিল ২৬ বছর। সকালবেলা বাই সাইকেলে করে নাস্তা আনতে যাওয়ার সময় পিছন থেকে আসা এক দ্রুতগামী প্রাইভেটকার তাকে ধাক্কা দিলে তিনি ঘটনাস্থলে মারা যান। নিহত জন্মিয়া বাগেরহাট গ্রামের বিল্লাল মিয়ার বড় ছেলে। এর ফলে তার পরিবারে এর ওপর  শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায় জনি মিয়া জীজান  শহরে একটি ছবিতে কাজ করতেন ডিউটি শেষ করে রুমে এসে হাতমুখ ধুয়ে নাস্তার জন্য দোকানে যাবার জন্য সাইকেল নিয়ে বের হয়। এসময় রাস্তায়  প্রাইভেট কার তাকে ধাক্কা দেয়। ফলে তিনি মারাত্মকভাবে আঘাত প্রাপ্ত এবং ঘটনাস্থলে মারা যান।

এসময় জনি মিয়ার সহকর্মী হাকিম মিয়া বাড়িতে ফোন করে এই দুঃসংবাদ জানালে বাড়িতে শোকের মাতম শুরু হয়ে যায়।

মাত্র দেড় বছর আগে পরিবারে আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার জন্য পাড়ি জমান স্বপ্নের দেশ সৌদি আরবে। ধারদেনা করে অতি কষ্ট করে প্রবাসে জীবনযাপন করছিলেন জনি মিয়া। এখন পর্যন্ত তার ধার দেনা শোধ করতে পারেননি তার আগেই তার প্রাণ প্রদীপটি নিভিয়ে গেলো।

জনি মিয়ার বাবা বিল্লাল মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন তার দুই ছেলের ভিতরে জনি মিয়া  বড়। দেশে থাকাকালীন জনি মিয়া কটিয়াদি বাস স্টান এর একটি সাইকেল দোকানে কাজ করতেন। তারেই কম আয় দিয়ে অতিকষ্টে টেনেটুনে আমাদের সংসার চলত।  তাই দেড় বছর আগে সংসারের সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার জন্য মানুষের কাছ থেকে ধার দেনা করে ওকে বিদেশে পাঠাই। বিদেশে গিয়ে ধার দেনা শোধ করতে থাকে এর ভিতরে কিছু টাকা শোধ হয়ে গিয়েছে।

এখনো অনেক ঋণ রয়ে গেছে। তিনি বলেন আমি এই ঋণ কিভাবে শেধ করবো জানিনা। সকালের জনের সহকর্মী কোন দুর্ঘটনার সংবাদ জানায়। সরকারের কাছে পরিবারের দাবি ছেলের মরদেহ তা যেন দ্রুত দেশে ফিরে আনার ব্যবস্থা করে।

শেয়ার করুন