০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, বুধবার, ০২:৩৫:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে বাংলা ভাষায় রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভোটকেন্দ্রের ভেতর থেকে ককটেল উদ্ধার হিরো আলমকে গাড়ি উপহার দিতে চান এক শিক্ষক, তবে হিরো আলমের দাবি তিনি গড়িমসি করছেন আঙুলের ছাপ না মেলায় ভোট না দিয়েই ফিরে গেলেন বৃদ্ধা কল্পনা রানী শঙ্কার মধ্যেই বগুড়া-৪ ও ৬ আসনের উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে ৬টি সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা, বিটিসিএল কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বাগেরহাটের ইপিজেডের কারখানায় লাগা আগুন এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি দেশে ফিরছেন সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার রোজিনা বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে ২ শিশুকে হত্যা: ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাংকে টাকার সংকটে জোগান দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
মোঃ ইনজামাম-উল আলম খান
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০২২-১১-১৬
ব্যাংকে টাকার সংকটে জোগান দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংকের আমানতকারীদের আশ্বস্ত করে ব্যাংক বলেছে,  কোনো ব্যাংকে তারল্য সংকট হলে বাংলাদেশ ব্যাংক তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিরসন করবে। 

বাংলাদেশ ব্যাংক এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে, টাকার সংকট হলে ব্যাংকগুলোকে টাকার জোগান দেওয়া হবে। ব্যাংকের তারল্য পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যে সব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে।  

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র জি এম আবুল কালাম আজাদ, সহকারী মুখপাত্র সরোয়ার হোসেন ও সাইদা খানম।

সংবাদ সম্মেলনে জি এম আবুল কালাম আজাদ বলেন, বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা অত্যন্ত সুদৃঢ় অবস্থায় রয়েছে। ব্যাংকিং ব্যবস্থায় তারল্যের কোনো সংকট নেই। বর্তমানে ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অতিরিক্ত তারল্য রয়েছে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা। তারল্য ব্যবস্থাপনার জন্য রেপো ও তারল্য সহায়তা নীতি চালু আছে। এ ছাড়া ব্যাংকের পরিদর্শন ও তদারকির ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাপক তৎপরতা রয়েছে। ব্যাংকে জনগণের আমানত সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছে আমানত নিয়ে জনগণের আতঙ্কিত হওয়ার মতো এমন কিছুই ঘটেনি।

সংবাদ সম্মেলনে জি এম আবুল কালাম আজাদ আরও বলেন, আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি নাগাদ বৈদেশিক মুদ্রা বাজারের চাহিদা ও সরবরাহে অনেকটাই ভারসাম্য অবস্থা ফিরে আসবে।

এদিকে সহকারী মুখপাত্র ও বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগের পরিচালক সরোয়ার হোসেন বলেন, ব্যাংকে তদারকি বাড়ানোর ফলে ঋণপত্র খোলা কমে এসেছে। 

চলতি হিসাবে যে ঘাটতি ছিল, তাও কমে আসছে। এখন যে ঋণপত্র খোলা হচ্ছে তার দায় পরিশোধের সময় রপ্তানি ও প্রবাসী আয়ের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে সংকট কেটে যাবে,  তখন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে বৈদেশিক মুদ্রা বাজার।

অন্যদিকে রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বর্তমানে দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় তারল্যের কোনো সংকট নেই। ব্যাংকে জনগণের আমানত সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছে।

শেয়ার করুন